অন্যান্য

হিন্দি গানের লিরিক্স এর বই এর সংগ্রহশালা ! এজ নজরে দেখে নিন !

 

হিন্দি গানের লিরিক্স পাবেন এই বইতে ! ভারতবর্ষের রান্নাতে মসলার ব্যবহার সু-প্রাচীন। এই মসলাগুলো আসতো ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন দ্বীপ হতে। দ্বীপগুলো ছিল মসলার জন্য স্বর্গরাজ্য। ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপগুলোতে মসলা উৎপন্ন হলেও মসলার বাণিজ্য ছিল আরব সাগরের উপকূলে অবস্থিত ভারতীয় রাজ্য কালিকট কেন্দ্রিক।

সকল মসলা কালিকট এসে জমা হতো এবং আরব বণিকদের মাধ্যমে চলে যেত ইউরোপে। ইউরোপে তখন মসলার প্রচুর চাহিদা। আরবদের একচেটিয়া ব্যবসা তাদের বিপুল পরিমাণ মুনাফা এনে দিচ্ছিল।এছাড়া আরব বণিকরা তাদের মসলা শুধুমাত্র ভেনিসে বিক্রি করাতে তাদের হাতে ইউরোপের বাজার নিয়ন্ত্রিত ছিল। ফলে পর্তুগিজরা ভারতবর্ষের মসলার বাজার নিজেদের করায়ত্ত করার চিন্তাভাবনা করে।হিন্দি গানের লিরিক্স পাবেন এই বইতে ! এতে করে তাদের হাতে ব্যবসাটা চলে আসবে এবং মসলার জন্য ভেনিসের উপর নির্ভর করতে হবেনা। কিন্তু ভারতবর্ষে আসার জন্য তাদের নিজস্ব রুট ছিল না। ইরান ও মিশরের মধ্য দিয়ে আসা যেত তখন, কিন্তু তা ছিল মুসলিম জাতির নিয়ন্ত্রিত। এজন্য বিকল্প রুট হিসেবে আফ্রিকার সর্ব দক্ষিণ এলাকা ঘুরে ভারতে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। ফলশ্রুতিতে ১৪৮৮ সালে কালিকট বন্দরে পা রাখেন পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো ডা গামা। পর্তুগিজদের জাহাজ ছিল উন্নত এবং কামান সজ্জিত, যা কালিকট বন্দরের মানুষের কাছে অপরিচিত হওয়াতে ভীতির সৃষ্টি করছিল। পর্তুগিজদের উদ্দেশ্য ছিল আরব বণিকদের হটিয়ে পুরো মসলার বাজারকে নিজেদের হাতে নিয়ে আসা। প্রথমে শান্তিপূর্ণভাবেই পর্তুগিজদের বাণিজ্য করার অনুমতি দেন কালিকটের রাজা জামোরিন। হিন্দি গানের লিরিক্স পাবেন এই বইতে ! কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তারা জনগণকে অতিষ্ঠ করে ফেলে এবং একসময় যুদ্ধ বেঁধে যায় ভাস্কো ডা গামা এবং জামোরিনের মধ্যে।পরপর তিনবার যুদ্ধে পরাজয়ের পর ভাস্কো ডা গামা সুবোধ বালকের মতো বাড়ি ফিরে যায়। যাকে আমরা চিনি প্রথম ইউরোপীয় হিসেবে কালিকট বন্দরে প্রবেশের নায়ক হিসেবে, আসলে তিনি ছিলেন একজন ধর্মান্ধ জলদস্যু।হিন্দি গানের লিরিক্স পাবেন এই বইতে ! হজ্জ ফেরত যাত্রীদের নির্বিচারে জাহাজের মধ্যেই পুড়িয়ে মেরে শুধু ধর্মান্ধতার পরিচয় দেন নি, দিয়েছেন অমানবিকতারও।

 

একটা বিষয় খুবই কৌতূহলোদ্দীপক। সেটি হলো পর্তুগিজরা এতবার আক্রমণ করার পরেও কালিকটের পার্শ্ববর্তী অন্যান্য রাজ্য জামোরিনের পাশে এগিয়ে আসেন নি। হিন্দি গানের লিরিক্স পাবেন এই বইতে ! আশেপাশের রাজ্যগুলোতে হিন্দু-মুসলিম রেষারেষি বেশি থাকাতে হিন্দু রাজ্যগুলো আরব বণিকদের ধ্বংসই দেখতে চেয়েছিল কিন্তু কালিকটের ক্ষেত্রে তা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে হিন্দু-মুসলিম কিংবা আরব বণিকরা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে সাম্রাজ্যবাদী পর্তুগিজদের প্রতিরোধ করেছে। কালিকটে পরাজয়ের পর পর্তুগিজরা আরব সাগর ও ভারত মহাসাগরে কর্তৃত্ব করার পরিকল্পনা করে এবং একসময় সফল হয়। তারপর তারা মসলার উৎপত্তিস্থল ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপগুলো দখল করে এবং প্রায় দেড়শো বছর মসলার ব্যবসা ধরে রেখেছিল। অন্যদিকে ইউরোপে পর্তুগিজদের এই মুনাফা লাভ ডাচদের চোখ এড়ায়নি। হিন্দি গানের লিরিক্স পাবেন এই বইতে ! তারাও একসময় ভারতবর্ষে আসে মসলার বাণিজ্য করতে। ফলে এখানে আর পর্তুগিজদের একক কর্তৃত্ব রইল না। শুরু হলো দুই সাম্রাজ্যের লড়াই। একসময় ইন্দোনেশিয়া হতে পর্তুগিজরা পিছু হটে এবং ডাচেরা সেখানে শাসন শুরু করে। ভারতবর্ষে নীল চাষের নামে যে অত্যাচার করেছে ইংরেজরা তারও আগে সেই একই অত্যাচারের ইতিহাস রয়েছে ডাচদের ইন্দোনেশিয়াতে মসলা চাষের ক্ষেত্রে। হিন্দি গানের লিরিক্স পাবেন এই বইতে ! পর্তুগিজ ও ডাচদের পর এদেশে আসে ইংরেজরা এবং মুঘল শাসকের অনুমতি নিয়ে সুরাটে প্রথম বাণিজ্যকুঠি স্থাপন করে।তার পরের ইতিহাস সবারই জানা।

মসলার জন্য যুদ্ধ। হিন্দি গানের লিরিক্স পাবেন এই বইতে !  যা একসময় অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইতে পরিণত হয়েছিল। ছোট বই তবে পুরো বইটাই ইতিহাসকে আয়নার মতো সামনে তুলে ধরে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button